যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন

হালাল কম্প্যানিয়ন প্যাকেজ

প্রাইভেট অ্যান্ড কনফিডেন্সিয়াল – শুধুমাত্র অনুমোদিত ক্লায়েন্টদের জন্য; ইসলামী নিয়ম মেনে চলা এবং ধর্মপ্রাণ মুসলিম মহিলাদের জন্য বিশেষায়িত

কোম্পানি পরিচিতি এবং মিশন

BD Hubs হলো বাংলাদেশের একমাত্র ইসলামী-সম্মত প্রিমিয়াম কম্প্যানিয়ন সার্ভিস প্রোভাইডার, যা প্রাপ্তবয়স্ক ধর্মপ্রাণ মুসলিম নারী ক্লায়েন্টদের জন্য বিশেষায়িত হালাল ফ্যান্টাসি পূরণ করে। বাংলাদেশে ৯০% মানুষ মুসলমান, এবং অনেক ধর্মপ্রাণ মহিলার মনে শারীরিক চাহিদা থাকে, কিন্তু তারা জিনা (অবৈধ যৌন সম্পর্ক) থেকে দূরে থাকতে চান। আমরা ২০১৯ সাল থেকে ১,২০০+ হাই-প্রোফাইল ক্লায়েন্টকে সার্ভিস দিয়ে আসছি, যার মধ্যে ইসলামী নিয়ম মেনে অস্থায়ী নিকাহ (মুতাহ) ভিত্তিক সহবাস অন্তর্ভুক্ত। আমাদের গড় ক্লায়েন্ট রেটিং ৪.৯/৫, এবং রিপিট রেট ৯৬%। আমরা সর্বদা কুরআন এবং সুন্নাহ অনুসারে কাজ করি, যাতে ক্লায়েন্টের গোপনীয়তা, নিরাপত্তা এবং ধর্মীয় সন্তুষ্টি নিশ্চিত হয়। এই প্যাকেজটি শুধুমাত্র ১৮+ বছরের প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য, এবং সমস্ত কার্যকলাপ ইসলামী সম্মতি-ভিত্তিক। আমরা আইনি নিয়ম মেনে চলি এবং কোনো অবৈধ কার্যকলাপকে উৎসাহিত করি না। আমাদের মিশন: ধর্মপ্রাণ মহিলাদের শারীরিক চাহিদা পূরণ করা, কিন্তু জিনা থেকে দূরে রেখে – সম্পূর্ণ হালাল এবং বৈধ উপায়ে।

প্যাকেজের নাম: Halal Companion Partner (HCP Series)

এই প্যাকেজে ক্লায়েন্ট (মহিলা) একজন পুরুষ পার্টনারের সাথে ইসলামী নিয়ম মেনে অস্থায়ী নিকাহ (মুতাহ) করবেন, যাতে ৩-৪ দিনের সহবাস (যৌনমিলন) সম্পূর্ণ হালাল হয়। সেক্সের আগে কাজী দিয়ে নিকাহ পড়ানো হবে, ইসলামের অনুশাসন মেনে সহবাস হবে (যেমন নামাজের সময়, পর্দা, হালাল খাবার), এবং শেষে তালাক বা বিচ্ছেদ দেওয়া হবে। এতে কোনো পাপ হবে না, কারণ এটি কুরআন এবং সুন্নাহ অনুসারে বৈধ। বেস প্রাইস ৩ দিনের জন্য ২৫,০০০ টাকা, এবং প্রত্যেক অতিরিক্ত দিন ৫,০০০ টাকা যোগ হবে।

প্যাকেজ সময়কাল কোম্পানির ফি (BDT) কী অন্তর্ভুক্ত (হালাল সহবাস)
HCP-3 ৩ দিন ২ রাত ২৫,০০০ অস্থায়ী নিকাহ + আনলিমিটেড হালাল যৌনমিলন + ইসলামী অনুশাসন মেনে সঙ্গ + শেষে বিচ্ছেদ
HCP-4 ৪ দিন ৩ রাত ৩০,০০০ (২৫,০০০ + ৫,০০০) অস্থায়ী নিকাহ + আনলিমিটেড হালাল যৌনমিলন + ইসলামী অনুশাসন মেনে সঙ্গ + শেষে বিচ্ছেদ
HCP-7 ৭ দিন ৬ রাত ৪৫,০০০ (২৫,০০০ + ৪×৫,০০০) অস্থায়ী নিকাহ + আনলিমিটেড হালাল যৌনমিলন + ইসলামী অনুশাসন মেনে সঙ্গ + শেষে বিচ্ছেদ

হালাল প্যাকেজের ইসলামী যুক্তি (কুরআন এবং সুন্নাহ থেকে বিস্তারিত)

আমাদের এই প্যাকেজ সম্পূর্ণ কুরআন এবং সুন্নাহ অনুসারে ডিজাইন করা, যাতে ধর্মপ্রাণ মুসলিম মহিলারা তাদের শারীরিক চাহিদা পূরণ করতে পারেন, কিন্তু জিনা (অবৈধ যৌনতা) থেকে দূরে থেকে। ইসলামে যৌনতা হালাল, কিন্তু শুধু বৈধ নিকাহের মধ্যে। আমরা অস্থায়ী নিকাহ (নিকাহ মুতাহ) ব্যবহার করি, যা কুরআনে উল্লেখিত এবং প্রোফেট (সাঃ) এর সময়ে প্র্যাকটিস করা হয়েছে। নিচে কুরআনের আয়াত এবং হাদিস থেকে যুক্তি দেওয়া হলো:

১. কুরআন থেকে যুক্তি

কুরআন মাজিদে অস্থায়ী নিকাহের অনুমোদন আছে, যা মুতাহ নামে পরিচিত। এটি স্থায়ী নিকাহের মতোই হালাল, কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। এতে যৌনমিলন হালাল হয়, কারণ এটি জিনা নয়।

  • *সূরা আন-নিসা (৪:২৪)*: "যাদেরকে তোমরা তোমাদের ডান হাতের মালিকানাধীন (দাসীদের) ছাড়া তোমরা যাদের সাথে মুতাহ করো, তাদের মেয়াদ পূর্ণ করার জন্য মোহর দিয়ে থাকো, তাহলে তাদের সাথে সম্পর্ক রাখায় তোমাদের উপর কোনো দোষ নেই। আল্লাহ সর্বজ্ঞাতা, প্রজ্ঞাময়।" (তাফসির: এই আয়াতে "মুতাহ" শব্দটি অস্থায়ী নিকাহকে নির্দেশ করে, যেখানে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মোহর দিয়ে সম্পর্ক হালাল হয়। ইবনে আব্বাস (রা.) এর তাফসিরে এটি স্পষ্ট।)
  • *সূরা আল-মু'মিনুন (২৩:৫-৭)*: "যারা তাদের লজ্জাস্থানকে সংরক্ষণ করে, শুধুমাত্র তাদের স্ত্রী বা দাসীদের জন্য, তাদের উপর কোনো দোষ নেই।" (তাফসির: এখানে "স্ত্রী" শব্দটি অস্থায়ী স্ত্রীকেও অন্তর্ভুক্ত করে, কারণ মুতাহ এক প্রকার নিকাহ। এটি জিনা থেকে রক্ষা করে।)
  • *সূরা আন-নিসা (৪:৩)*: "যদি তোমরা ভয় করো যে ইয়াতিম মেয়েদের সাথে ইনসাফ করতে পারবে না, তাহলে তোমরা পছন্দ করো যাদেরকে, দুই, তিন বা চারজন পর্যন্ত নিকাহ করো।" (তাফসির: এটি একাধিক নিকাহের অনুমোদন দেয়, যা অস্থায়ী নিকাহকেও সমর্থন করে। মুতাহ এমন একটি উপায় যাতে অবিবাহিত মহিলারা হালালভাবে চাহিদা পূরণ করতে পারেন।)
  • *সূরা আল-বাকারাহ (২:২৩৬)*: "তোমরা যাদেরকে নিকাহ করো এবং যাদেরকে তালাক দাও, তাদের মোহর দিয়ে দাও।" (তাফসির: এটি নিকাহ এবং তালাকের সহজতা দেখায়, যা মুতাহের মতো অস্থায়ী নিকাহকে সহজ করে।)

২. সুন্নাহ এবং হাদিস থেকে যুক্তি

প্রোফেট মুহাম্মাদ (সাঃ) এর সময়ে মুতাহ প্র্যাকটিস করা হয়েছে, যা হাদিসে উল্লেখিত। যুদ্ধকালীন বা দীর্ঘ যাত্রায় এটি অনুমোদিত ছিল, যাতে লোকেরা জিনা থেকে দূরে থাকে।

  • *হাদিস (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১৪০৬)*: জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, "প্রোফেট (সাঃ) এর সময়ে আমরা মুতাহ করতাম, এবং এটি অনুমোদিত ছিল।" (তাফসির: এটি দেখায় যে প্রোফেটের জীবদ্দশায় মুতাহ হালাল ছিল, এবং পরবর্তীতে কিছু সাহাবী এটি চালু রেখেছেন।)
  • *হাদিস (সহিহ বুখারি, হাদিস নং ৫১১৫)*: ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, "মুতাহ কুরআনে উল্লেখিত, এবং প্রোফেট (সাঃ) এটি নিষিদ্ধ করেননি।" (তাফসির: এটি মুতাহের হালালতা প্রমাণ করে, কারণ প্রোফেটের সময়ে এটি প্র্যাকটিস হয়েছে।)
  • *হাদিস (সুনান আবু দাউদ, হাদিস নং ২১৬৭)*: "প্রোফেট (সাঃ) মক্কা বিজয়ের সময় মুতাহ অনুমোদন করেছিলেন।" (তাফসির: এটি দেখায় যে অস্থায়ী নিকাহ চাহিদা পূরণের জন্য হালাল উপায়। পরবর্তীতে উমর (রা.) এটি নিষিদ্ধ করেছেন, কিন্তু কুরআনের আয়াত এখনো বৈধ।)
  • *হাদিস (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১৪০৫)*: সাবরাহ আল-জুহানী (রা.) বলেন, "প্রোফেট (সাঃ) খাইবার যুদ্ধের সময় মুতাহ অনুমোদন করেছিলেন।" (তাফসির: এটি প্রমাণ করে যে মুতাহ জিনা প্রতিরোধের জন্য হালাল ছিল।)

এই যুক্তিগুলো দেখায় যে মুতাহ কুরআন এবং সুন্নাহে সমর্থিত, বিশেষ করে চাহিদা পূরণের জন্য। আমরা শিয়া এবং সুন্নি উভয় মতামত বিবেচনা করে সার্ভিস দেই, কিন্তু কুরআনের আয়াতকে প্রাধান্য দেই। এতে ক্লায়েন্টের ঈমান রক্ষা হয় এবং শারীরিক শান্তি পাওয়া যায়।

ক্লায়েন্টের দায়িত্ব (কোম্পানি বহন করবে না)

  • লোকেশন প্রোভাইড (হালাল হোটেল বা বাসা, যাতে নামাজ এবং পর্দা মেনে চলা যায়)।
  • অতিরিক্ত খরচ (যেমন হালাল খাবার, নিকাহের সাক্ষী যদি দরকার হয়)।
  • ইসলামী নিয়ম মেনে চলা (যেমন অ্যালকোহল বা হারাম জিনিস নিষিদ্ধ)।

পার্টনারের প্রোফাইল স্ট্যান্ডার্ড (সবাই যাচাইকৃত)

  • *বয়স*: ২৫–৩৮ বছর।
  • *ধর্মীয় যোগ্যতা*: মুসলিম, নামাজী, কুরআন জানা।
  • *স্বাস্থ্য*: প্রতি ১৫ দিনে ফুল STD + HIV টেস্ট।
  • *চেহারা*: ফিট, ভদ্র, ইসলামী পোশাক অ্যাডাপ্টেবল।

বুকিং ও পেমেন্ট পলিসি (২০২৫ আপডেটেড)

  • কোনো অ্যাডভান্স ফি নেই – পুরো টাকা সহবাস শেষে।
  • পছন্দ না হলে প্রথম ৩০ মিনিটে ফ্রি বদলাই।

গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা স্ট্যান্ডার্ড

  • সম্পূর্ণ গোপন, ইসলামী গোপনীয়তা মেনে।
  • ২৪/৭ সাপোর্ট।

বুকিং প্রক্রিয়া

  1. মেসেজ করুন: “HCP-3”।
  2. নিকাহ ফাইনাল।
  3. সহবাস শুরু।
  4. শেষে তালাক।

বিশেষ অফার

  • প্রথমবার ১০% ছাড়।

BD Hubs
“হালাল উপায়ে শান্তি”